বিয়ের দাবিতে প্রে’মিকের বাড়িতে দুই প্রে’মিকার অনশন!!

রংপুর জেলার  তারাগঞ্জ উপজে’লার সৈয়দপুরে বিয়ের দা’বিতে প্রে’মিকের বাড়িতে অবস্থান  করছেন  দুই প্রে’মিকা! গত শুক্রবার সকালে ওই দুই প্রে’মিকা ঢাকা থেকে জে’লার হারিয়ালকুঠি ইউনিয়নের সৈয়দপুর মুন্সিপাড়া গ্রামে প্রে’মিকের বাড়িতে

অবস্থান নিয়েছেন। প্রে’মিক মিজানুর রহমান বাবু রংপুরের তারাগঞ্জ উপজে’লার সৈয়দপুর মুন্সিপাড়া এলাকার জহুরুল ইস’লামের ছে’লে। দুই প্রে’মিকা একজন আলেয়া আরেকজন রাবেয়া। তাদের মধ্যে আলেয়া অ’ন্তঃস্ব’ত্বা।
জানা গেছে, ওই দুই যুবতী বাবুর বাড়ি উঠতে গেলে তার পরিবারের লোকজন তাদের বের করে  দেয়। এরপর, গভীর রাতে এলাকাবাসীর ক্ষো’ভের মুখে বাবুর মা তাদের বাড়িতে তুলতে বাধ্য হন। তথ্য মতে, বাবু ঢাকায় গার্মেন্টসে চাকরি করেন। থাকেন ঢাকার আমতলীতে। এরইমধ্যে বাবু এ দুই তরুণীর সঙ্গে প্রে’মের জেরে শা’রী’রিক স’ম্পর্ক গড়ে তোলেন।

তাদের একজন স্বামী প’রিত্য’ক্তা (২৬) নারী। স্বামী প’রিত্য’ক্তা ওই নারীর বাড়ি জামালপুর জে’লার মা’দরগঞ্জ উপজে’লার চন্নগড়ে। অ’পর নারী সাভা’র ইপিজেড-এ কাজ করেন। তার বাড়ি গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজে’লার তালুককানুপুর ইউনিয়নের জামালপুর গ্রামে। থাকেন সাভা’রের বাইপাইলের আমতলায়।
গার্মেন্টসকর্মী আলেয়া জানান, স্বামীর সঙ্গে তা’লা’ক হয়ে যাওয়ায় সন্তানকে নিয়ে গার্মেন্টসে চাকরি শুরু করি। চাকরির সময় বাবুর সঙ্গে পরিচয় হয়।

সে আমাকে প্রে’মের প্রস্তাব দিলে আমি আমা’র আগের স্বামী ও সন্তানের কথা বলি। সেসব কিছু মেনে নিয়ে আমাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে দীর্ঘ ৩ বছর আমা’র সঙ্গে স্বামী-স্ত্রী’র মতো মে’লামে’শা করেছে।
অ’পর প্রে’মিকা রাবেয়া বলেন, গার্মেন্টসে চাকরির সুবাদে বাবুর সঙ্গে পরিচয় ও স’ম্পর্ক
হয়। তারপর তার সাথে তার মেসে স্বামী-স্ত্রী’ পরিচয়ে থাকি। তার ছোট দুই ভাইও আমাকে ভাবি বলে ডাকে। আমি বিয়ের কথা বললে সে জানায় গ্রামে দুই তলা বাড়ি বানাচ্ছে। বাড়ির কাজ শেষ হলে আমাকে বিয়ে করবে।

আমি তার ওপর বিশ্বা’স করে তাকে স্বামী পরিচয় দিয়ে আমা’র গ্রামের বাড়িতে গত ঈদ-উল-ফিতরের ছুটিতে নিয়ে যাই। ঈদের ছুটির পর আম’রা আবারও ঢাকার বাসায় যাই। এ সময় স্থানীয়রা আমাদের আ’ট’ক করে। বিয়ের কাবিননামা
দেখাতে না পারায় স্থানীয়রা আমাদের আট’কে রাখে। পরে বিয়ের প্র’তিশ্রুতি দিয়ে সেখান থেকে ছাড়া পেয়ে অন্য বাসায় গিয়ে উঠি। কিন্তু রাতে বাবু আমাকে রেখে ওই বাসা থেকে পা’লিয়ে যায়। আমি এখন দুই মাসের অ’ন্তঃস্ব’ত্ত্বা।

এরই মধ্যে আরেক আপু এসে আমাকে বলে তারসঙ্গেও বাবু একইরকম করেছে। এরপর আমি ওই আপুকে নিয়ে তার বাড়িতে চলে এসেছি। আমাকে বিয়ে না করা পর্যন্ত আমি যাবো না। আমা’র স’ন্তানের স্বীকৃ’তির জন্য বিয়ে করতেই হবে। স্থানীয় সাবেক ইউপি মেম্বার আনিছার রহমান আনিছ বলেন, একই সঙ্গে দু’টি মে’য়ে স’ম্পর্কের দা’বি নিয়ে এসেছে। এরমধ্যে একজন অ’ন্তঃস’ত্ত্বা। কিভাবে সমাধান করা যায়, সেই চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে বাবুর পরিবারের পক্ষ থেকে তেমন সহযো’গিতা পাওয়া যাচ্ছে না।

এ  বিষয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান জনাব বাবুল জানান, আমা’র কাছে বিষয়টি এসেছিল। আমা’র  বি’চা’রের এখতিয়ার নেই। আমি থা’নায় যেতে বলেছি। এ ব্যাপারে অ’তিরিক্ত পু’লিশ সুপার (বি সার্কেল) মা’রুফ জানান, বিষয়টি জানার পর সেখানে পু’লিশ পাঠানো হয়েছে। অ’ভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।