কাতারে প্রবাসী শ্রমিকদের জন্য এক হাজার ফ্রি বাসকার্ড

কাতারে বিদেশি শ্রমিকদের যাতায়াত সুবিাধার্থে এক হাজার কারওয়া বাস কার্ড বিনামূল্যে দিয়েছে মুওয়াসালাত কর্তৃপক্ষ। ১৮ এপ্রিল রবিবার এসব কার্ড কাতার চ্যারিটির কাছে হস্তান্তর করা হয়।

কাতার চ্যারিটির মাধ্যমে কাতারের বিভিন্ন জায়গায় বিদেশি শ্রমিকদের মধ্যে এসব বাসকার্ড বিতরণ করা হবে।

কাতারে করোনা রোগীদের জন্য নতুন ওষুধ
কাতারে রাসলাফফানে ওকুদের নতুন স্টেশন

কাতারে শ্রমিকদের জন্য এক হাজার ফ্রি বাসকার্ড
রমজান উপলক্ষে বন্দীদের ক্ষমা করলেন কাতারের আমির
কাতারে করোনা টিকার নতুন বয়স ঘোষণা

আরও পড়ুনঃ
কাতারে বাংলাদেশসহ ৭ দেশের গৃহকর্মী নিয়োগের অনুমোদন

কোভিড-১৯ এর বিস্তারকে রোধ করার জন্য কঠোর স্বাস্থ্য সতর্কতার মধ্যে উপসাগরীয় দেশ কাতারে বাংলাদেশসহ ৭ দেশের গৃহকর্মী নিয়োগের অনুমোদন দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

এ বিষয়ে কাতারের সরকারী সুত্রের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, জেনারেল ডিরেক্টর অফ পাসপোর্ট বলেছে যে ফিলিপাইন, ভারত, শ্রীলঙ্কা, কেনিয়া, ইথিওপিয়া, বাংলাদেশ এবং ইরিত্রিয়া থেকে গৃহকর্মী নিয়োগ যাবে ।
আরও পড়ুনঃ
কাতারে প্রবাসীরা সরকারের বিধি নিষেধে কর্মহীন হয়ে পড়ার শঙ্কায়

উপসাগরীয় দেশ কাতার সরকার করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় আজ থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। বিধিনিষেধের আওতায় পড়েছে প্রবাসীদের বহু ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। এতে করে কর্মহীন হয়ে পড়ার শঙ্কায় প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

শুক্রবার থেকে করোনার ব্যাপক সংক্রমণ দেখা দেওয়ায় কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে কাতারে। অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে সেলুন, বিউটি পার্লার, জিম, সুইমিংপুল, ওয়াটার পার্ক, জাদুঘর, সিনেমা হল, লাইব্রেরি ও নার্সারিসহ বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান।

রেস্টুরেন্টে খোলা থাকলেও বসে খাওয়া যাবে না, সরকারি বেসরকারি অফিসগুলোতে ৫০ ভাগ উপস্থিতি থাকবে। গণপরিবহন ও মেট্রোতে ধারণক্ষমতার ২০ ভাগ যাত্রী বহন করতে পারবে।

এ ছাড়া রমজানে মসজিদে তারাবি নামাজ আদায় করা যাবে না। তবে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ও জুমার নামাজ মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। শপিংমলসহ আরও বহু ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ওপরও আরোপ করা হয়েছে বিধিনিষেধ। নতুন বিধিনিষেধের কারণে বড় ধরনের ক্ষতি মুখে পড়তে হবে প্রবাসী বাংলাদেশিদের। কর্মহীন হয়ে পড়ার শঙ্কায় অসংখ্য মানুষ।

কাতারে ২৬ লাখের বেশি জনসংখ্যা মধ্যে ১০ লাখের বেশি মানুষকে বিনামূল্যে এরই মধ্য ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। ভ্যাকসিন কার্যক্রম অব্যাহত থাকলেও কমানো যাচ্ছে না সংক্রমণ।

দেশটিতে বর্তমানে চিকিৎসাধীন করোনা রোগীর সংখ্যা প্রায় ১৯ হাজার। এ পর্যন্ত ৪০ জন বাংলাদেশিসহ করোনায় মারা গেছেন ৩২২ জন।