বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনার সুযোগ পেল এমিরেটস, ফ্লাই দুবাই ও ইত্তেহাদ এয়ারলাইন্স

সারাদেশে চলমান লকডাউন পরিস্থিতির মধ্যে ৫ দেশে বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনা করছে ১২টি এয়ারলাইন্স।

১৭ এপ্রিল শনিবার থেকে শুরু হওয়া বিশেষ ফ্লাইটগুলো চলবে আগামী ২০ এপ্রিল পর্যন্ত।

১৮ এপ্রিল রোববার বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মফিদুর রহমান সমকালকে বলেন, ২০ এপ্রিল পর্যন্ত সংযুক্ত আরব আমিরাত,সৌদি আরব কাতার, ওমান ও সিঙ্গাপুরে বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। দেশের দুটি এয়ারলাইন্সসহ ১২টি এয়ারলাইন্স এসব দেশে বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনা করবে।

এয়ারলাইন্সগুলো হচ্ছে- বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, ইউএস বাংলা, সৌদিয়া এয়ারলাইন্স, এমিরেটস, কাতার, ওমান, ফ্লাই দুবাই, ইত্তেহাদ এয়ারলাইন্স, এয়ার এরাবিয়া, এয়ার এরাবিয়া আবুধাবি, সালাম এয়ার, সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্স।

বেবিচক চেয়ারম্যান জানান, আপাতত ২০ এপ্রিল পর্যন্ত এই সিডিউল চলবে। যদি লকডাউন বাড়ে সেক্ষেত্রে পরবর্তী পদক্ষেপ জানানো হবে।

ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) কামরুল ইসলাম সমকালকে বলেন, ‘আমরা ১৬ এপ্রিল সিভিল এভিয়েশন থেকে বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি পেয়েছি। ১৭ এপ্রিল থেকে আমাদের বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনা শুরু হয়েছে। ২০ এপ্রিল পর্যন্ত বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনার সিডিউল রয়েছে।

তিনি জানান, কাতারের দোহা, সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই, ওমানের মাস্কট ও সিঙ্গাপুরে ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি পেয়েছে ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্স। এর মধ্যে দোহায় ৪টি, দুবাইয়ে ৯টি, মাস্কটে ৭টি ও সিঙ্গাপুরে একটি ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে।

কামরুল ইসলাম আরও জানান, কাতার থেকে রিটার্ন ফ্লাইটে কোনো যাত্রী আনা হবে না। তাই দোহার ফ্লাইটের যাত্রীদের কিছু বেশি ভাড়া গুনতে হচ্ছে।

লকডাউনের প্রথম তিন দিন বিমান চলাচল বন্ধ রাখায় ২৫ থেকে ৩০ হাজার বিদেশগামী কর্মী ভোগান্তিতে পড়েছেন। তাদের দাবির মুখে শনিবার সকাল থেকে বিশেষ ফ্লাইট চালু হলেও প্রথম দিনেই বিপর্যয় ঘটে।

১৪টি ফ্লাইটের সাতটিই বাতিল হয়। এতে ভিসার মেয়াদ নিয়ে উৎকণ্ঠায় থাকা বিদেশগামীরা গত বছরের মতোই ভোগান্তিতে পড়েছেন। রাতভর তারা বিমানবন্দরে অপেক্ষা করেন। পরে বিক্ষোভ করেন। বিক্ষোভ হয়েছে মতিঝিলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কার্যালয় এবং সৌদিয়া এয়ারলাইন্স কার্যালয়ের সামনেও।

শনিবার বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর পাঁচটি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের। বাকি দুটি ‘ফ্লাই দুবাই’র।