কেবল ‘এক চিমটি’ ধুলোর দাম ৪ কোটি ৪০ লাখ টাকা!

কেবল ‘এক চিমটি’ ধুলোর দাম ৪ কোটি ৪০ লাখ টাকা!

কেবল মাত্র ধুলোর দাম ৫ লাখ ৪ হাজার ৩৭৫ মার্কিন ডলার! যা কিনা বাংলাদেশী মুদ্রায় ৪ কোটি ৪০ লাখ টাকারও বেশি! ঠিকই পড়ছেন। সম্প্রতি একটি নিলামে কোটি কোটি টাকার বিনিময়েই বিক্রি হয়ে গেল ‘এক চিমটি’ ধুলো! তবে, এই ধুলো কোনও যেমন-তেমন জায়গার ধুলো নয়। বস্তুত, এই ধুলো এই দুনিয়ারই নয়! এই ধুলো হল চাঁদের ধুলো!

সূত্রের খবর, এই নিলামটির আয়োজন করা হয়েছিল বুধবার। সেখানেই নাসার সংগ্রহে থাকা চাঁদের ধুলোর নমুনা বিক্রির জন্য ওঠে। এই ধুলো আনা হয়েছিল নীল আমস্ট্রংয়ের আমলে। অ্যাপোলো-১১ অভিযানের সদস্য নীল আমস্ট্রং প্রথমবারের জন্য পৃথিবীর প্রতিনিধি হিসেবে চাঁদের মাটিতে পা রেখেছিলেন।

সেই সময়েই চাঁদের পৃষ্ঠদেশ থেকে এই ধুলোর নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরে তা পৃথিবীতে নিয়ে আসেন অভিযাত্রীরা। এতদিন সেই ধুলোর নমুনা রাখা ছিল মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার কাছে।

তবে, আমার আপানার কাছে চাঁদের এই ধুলোর দাম মহাকাশছোঁয়া মনে হলেও উদ্যোক্তারা কিন্তু এই দাম পেয়ে মোটেও খুশি নন! তাদের আশা ছিল, আরও বেশি দামে বিক্রি হবে এই ধুলো। তারা সকলেই ভেবেছিলেন, নিলামে চাঁদের ধুলোর দাম উঠবে ৮ লাখ থেকে ১২ লাখ মার্কিন ডলার। কিন্তু, বাস্তবে তার অনেকটা আগেই থেমে গিয়েছেন ক্রেতারা।

অগত্যা ‘লোকসান’ কবুল করেই ধুলো বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ!

১৯৬৯ সালে চাঁদের পৃষ্ঠদেশের পৌঁছনোর পরই পৃথিবীতে সেকথা জানান নীল আমস্ট্রং এবং বাজ অ্যালড্রিন। এরপর নির্দেশ মাফিক, চাঁদের মাটিতে নেমে নমুনা সংগ্রহের কাজ শুরু করেন নীল। সেই সময় নাকি মহাকাশচারীদের বলতে শোনা গিয়েছিল, চাঁদ থেকে তারা মাটি হিসেবে যে নমুনা সংগ্রহ করছেন, তা আদতে পাথুরে।

অনেকটা বালির মতো গড়ন। সেই মাটি এতটাই মিহি যে তা অনেকটা পাওডারের মতো বলেও উল্লেখ করেছিলেন দুই নভোচারী। চাঁদের মাটির নমুনা সংগ্রহ করার পর তা একটি নির্দিষ্ট ব্যাগে ভরে সিল করে দেন নীল আমস্ট্রং। সূত্র : ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক।

বিভিন্ন